Poetry and Prose

Dynamics
I can sense your obvious inhabitation in my blood and breath
I can feel the way you catalyse the whole metabolism in my each molecule
Now I wonder
The tree, remember, the tree –
that was stemmed from a sudden vacuum
whirling around the flowing stream of the river wharf
Look, it became so luminous today; so full of leaves!

Do I even care if I am captivated in a dark pre-historic cave now?
As long as I know almost for sure
an unshakable light
an unperishable smell of your music, Sindhu Bhairavi
will perforate through the darkness of the black-hole

স্থিতি ও বিস্তার

শিরদাঁড়ায় স্পষ্ট টের পাচ্ছি তোমার স্থিতি আর অমোঘ বিস্তার

এক শুক্লপক্ষ রাতে

ওয়ার্ফ নদীর নিগুঢ় স্রোত-রন্ধ্রে অঙ্কুরিত হয়েছিলো যে ঘুমগাছ

সরক্ত সংশ্লেষনে কী গভীর ছায়াবতী হয়ে উঠেছে আজ!

উন্মাদ ঘোড়ায় চড়ে, দিগ্বিদিক ধুলো উড়িয়ে

বরং একদল পাহাড়-দস্যু এখোন আমাকে ছুড়ে ফেলে যাক

পর্বতের নিকষতম কোনো গুহায়…

শিরদাঁড়ায় তো রয়েছেই তোমার স্থিতি

.. আর গুহার অন্ধকার ভেদ করেও আমি জানি

টপ টপ করে ঝরে পড়বে তোমার সিন্ধু ভৈরবীর সুর

বিন্দু বিন্দু ঘ্রাণ আর রক্তধৌত আলো

আগুন 

এই সব হত্যা ও রক্তপাত দৃশ্যের আড়ালে

কেউ নিশ্চয়ই গোপনে আমার জন্যে লুকিয়ে রাখে

ঘুমবাহী নদী আর ভীষণ  লোধ্ররেণু;

চোখের গভীরে  পুষে রাখে কিছু পরালৌকিক সমুদ্র সারস

আর  আমার বুকের দিকে নিভৃতে উড়িয়ে দেয়; ডুবে গেলে পঞ্চমীর রক্তঝরা চাঁদ

এই সব তীব্র তীর, লক্ষ্যভেদী খঞ্জর আর আমার ঝাঁঝরা হৃতপিন্ডের বিপরীতে

কেউ নিশ্চয়ই আমার জন্যে অগোচরে জমিয়ে রাখে

কিছু দুধভাত;   অতিশয় কুয়াশা কিছু… আর গাঢ় জলের সৌরভ…

কেউ নিশ্চয়ই  আমার জন্যে নাভীমূলে ঢেকে রাখে লেলিহান আগুন…

Fire

Far from these murders and bloodshed
I am sure somebody still saves an elusive river in her heart
and fosters some vivid sea-gulls in her eyes
and blows them secretly towards my reckoning chest
While the blood-spilling moon gets drowned in the western-horizon

Apart from these venomous arrows and axes
I am sure somebody secretly saves some drops of deep dews
Somebody certainly hides the sparkle of fire for me
In her luminous navel..

ঘুম
ভাবছি, এই ভাঙা চোয়াল আর কুজো কাধ নিয়ে
আর ঘর থেকে বাইরে বেরোব না
টেলিফোনের তার কেটে দেবো
বরফ মাড়ানো জুতোগুলো কালো বিন-ব্যাগে ভরে
রাস্তায় স্ক্র্যাপভ্যানে রেখে আসবো
আমার চিবুকে যে বাজপাখির ছায়া দেখে এক উদ্ভ্রান্ত কিশোরী
সহসা আতকে উঠেছিলো
ভাবছি, বরং সেই ছায়ার সাথে তলোয়ার হাতে
নেমে পড়বো এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে
আর আমার রক্তের অন্ধকার থেকে ঝাক ঝাক বুনো-শালিখ উড়ে যেতে দেখে
মনে পড়ে
কলাশাস্ত্রে এক অভিজ্ঞ রমনী আমাকে শিখিয়েছিলেন পাখি ধরার দুর্দান্ত কৌশল
তার কথা ভেবে ভেবে আমি বরং কিছু কাশফুল বিসর্জন দেবো গোপনে
ভাবছি আর বাইরে বেরুবো না
বাতিগুলি  নিভিয়ে দেবো অলক্ষ্যে
আর দূর বরফ পাহাড় থেকে বিটোভেন যে ভুজঙ্গ তীরগুলো ছুড়ে দেন নিঃশব্দে
হৃতপিন্ডে সেই তীরগুলোর দগদগে ক্ষতচিহ্ন নিয়ে
বরং আমি ঘুমোতে যাবো; আর নিভৃতে ঘুমিয়ে রবো গভীর রাত্তিরে
রক্ত-বুদ্বুদ
আমি যেনো হোলি খেলার মাঠে
সব ভুলে
কোনো এক প্রাচীন শীতভোরে কুয়াশাভেজা নিঃসঙ্গ পাটকাঠি হাতে
নিজেরি ধমনীমূলে কেবলি রক্ত বুদ্বুদ তুলে চলছি
কেবলি রক্ত বুদ্বুদ তুলে চলছি
নিস্তব্ধ নুড়ি পাথরগুলো আমার দিকে তাকিয়ে আছে অপলক
আর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে আগুন, সন্ত্রাস নাকি রক্তের ফিনকি?

Blood-Stirring

I am, as if, bubbling my own blood with a jute-stick
On this rainy summer morning
As if, I am getting my own blood whirled
blowing the wind through the dewed-stick
The cruel sky and the rock-strewn hills of Yorkshire
are watching me with irreverence…

ফেরা
 
খোপায় এটেছো দেহ; অলকে বেধেছো হাত
 ময়ঙ্ক আখির শর হেনেছো এ বুকে
কামের কোদন্ড ভুরু এবার কি ছোয়াবে দুচোখে?
 
কেনো যে ফেরাতে চাও? আমার তো রক্তে সখি
আবাল মাটির  ডাক; অনন্ত গুহাব্রত, আমূল সন্ন্যাস 
ঘুমন্ত নদী ও চন্দ্র, উড্ডীণ বালিহাস
হাতছানি দেয়  নিরবধি                                     

জোছনায় নয় শোনো; বিস্তীর্ণ অন্ধকারে মুখ ঢেকে রাখি 

তবু বাধো লোকালয়ে; ওখানে কি পাবে সখি ডালে ডালে পাতার প্রপাত?

ওখানে কি পাবে নদী নির্জনে বয়ে গেছে ধু ধু?

ওখানে কি পাবে ছায়া কেপে উঠে কলোচ্ছল জলে?

ডেকে যায় বুনো-অশ্ব; লিলুয়া পবন ধীরে কড়া নেড়ে যায়

ঘুরে দাড়াতেই যেন বিধে অন্ত্রে তোমার নোঙ্গর

ঝরে রক্ত পথে পথে; ওড়ে ঘুড়ি গাঢ় বেদনায়

 

সভ্যতা ছিড়িবো দোহে; আদিম অরণ্যমূলে ফিরে যেতে চাই

পাথরে পাথর ঠুকে পরিশুদ্ধ হতে চাই পুনঃ

তোমার বিনম্র ওষ্ঠে পাপিষ্ঠ রক্তের ধুলো মুছে নিতে চাই

 

ক্রমশ পারদ-স্তর ঢেকেছে এ শরীরের দ্যুতি

…প্রেমে ও বৈরাগ্যে খুজি গৌতমের প্রত্ন-প্রতীতী

ক্ষোভ

আজ রাতে কায়সারকে শুইয়ে রাখবো নিজের কোলে

চুলে বিলি কেটে ঘুম পাড়াবো মালহাম-কোভের শিয়ালগুলি ডেকে ও ার আগেই

ইতিপূর্বে এক দীর্ঘ আত্ম-হনন পর্ব অথবা মৃত্যু-চুম্বনের শেষে

ঘুমিয়ে পড়েছিলাম আমার নিয়তিনীর সঙ্গে একই বিছানায়

শুনেছি, ঘুমের ভেতর নাকি

দাঁতের সঙ্গে দাঁত পিষে কড়কড় শব্দ তুলেছি সারারাত

সুইচ টিপে বাতিগুলি নিভিয়ে দেবার পর

আমার মুখ নাকি অন্ধকারে নয়;

ঢেকে গিয়েছিলো অজস্র বল্লমবিদ্ধ নক্ষত্রের ছায়ায়

আর সিডিতে শুবার্টের ভায়োলিন থেমে যাবার পরও

শ্বাস পতনের সঙ্গে নাকি বেজে উ েছিলো ধাবমান আর্ত খুরের শব্দ

বিলুপ্ত সব সমুদ্রের ঢেউ বাহিত হাহাকার!

আজ রাত এইসব আর্তনাদ, এইসব ঘুম পাড়ানো ছায়া

নেড়েচেড়ে দেখবো নিজ হাতে

আর দেখবো, দাঁত কড়কড় করার পেছনে কি লুকিয়ে আছে

কতিপয় পুঁজিবাদী কৃমির ষড়যন্ত্র

নাকি

আমার নিয়িতিনীর সঙ্গে

আমার মৌন দেবীর ধমনীর সঙ্গে মিশে যেতে না পারার তীব্র ক্ষোভ!

বাউল শাহ আবদুল করিমের সাক্ষাৎকারঃ

http://www.sachalayatan.com/hasan_murshed/27391

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s